“মোগল মার্ট” এর, বি.আর–২৯ চালের বৈশিষ্ট্য এবং কেন খাবেন?

গত কয়েক দশকে চাল উৎপাদনে ধারাবাহিকতা থাকায় দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় স্বস্তি এসেছে, যার পেছনে বড় অবদান রয়েছে এই চালের।দেশের খাদ্যনিরাপত্তা টেকসইরাখতে এই চালের ভূমিকা ব্যাপক।সেচ ও চাষাবাদ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক উন্নতিকে কাজে লাগিয়ে বি আর–২৯ বাংলাদেশের ধান উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিরাট ভূমিকা রেখে চলেছে।উচ্চফলন, সুস্বাদু ভাত, মাঝারি উঁচু গাছ বলে কৃষকের খড়ের চাহিদা পূরণ ও মোটামুটিরোগবালাই প্রতিরোধী হওয়ায়কৃষকদের মধ্যে সহজেই জনপ্রিয়তা পায়।


“মোগল মার্ট” এর, বি.আর–২৯ চালের বৈশিষ্ট্য এবং কেন খাবেন?

  • নিজস্ব চাতাল ও মিল হতে চাল উৎপাদন ও সরবরাহ করা হয়।
  • সরাসরি নিজস্ব তত্ত্বাবধানে কৃষক হতে বাছাইকৃত ধান থেকে চাল করা হয়েছে।
  • ধান সেদ্ধ সিদ্ধ করে  ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে চাল করা হয়,যা চালের গুণগত মান ঠিক রাখে। 
  •  হাস্কিং মিলে চাল ভাঙ্গানো হয়, এতে করে  চালে ফাইবার অক্ষুন্ন থাকে, যা স্বাস্থ্যসম্মত চাল এর নিশ্চয়তা দেয়।
  • মধ্যস্বত্তভোগী না রাখার কারণে বাজারের তুলনায় চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে  রাখা।
  • কৃষক পর্যায়ে ধানের খেতে সর্বোচ্চ জৈব সারের ব্যবহার।
  • উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকারক কীটনাশকের ব্যবহার এবংক্ষতিকর ইউরিয়া, পলিশ, ব্রাইটনার ও স্যালাইন পানি মুক্ত।
  • উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং প্যাকেজিংয়ে নিজস্ব তদারকি যা শতভাগ ভেজালমুক্ত ও খাঁটি চাল এর নিশ্চয়তা দেয়।
কাটারি নাজির চাল আপনার লিস্টে থাকা উচিত ?
My Cart
Close Wishlist
Categories